জ্বীনা নয় বিয়ে করতে চাই ।
আপনি?
আসসালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাত্তুল্লা ।
সবাই কেমন আছেন? আশা করি সবাই ভালো আছেন আল্লাহ্র রহমতে। আমিও alhamdulillah আল্লাহ্র রহমতে অনেক অনেক অনেক ভালো আছি।
আজ আমাদের সমাজের একটা বড় অসংঘতী তুলে ধরতে চাই। আজ আমাদের সমাজ এক প্রকার মেনেই নিয়েছে বা অনুমতি দিয়ে দিয়েছে জ্বীনা করার।
অনেকের মনে প্রশ্ন জাগতে পারে সমাজের বদনাম করলাম আমি।
সমাজ আজ আমাদের জ্বীনা করতে বাধ্য করছে?
আপনি কি জানেন সেটা কি ভাবে?
যদি জেনে থাকেন alhamdulillah আপনি সঠিক পথে আছেন আপনি নিজেকে শুধরে নিতে পারবেন। কিন্তু যে জানে না তার জন্য আমি এ বিষয়ে কিছু কথা বলবো--
আমাদের সমাজ আমাদের ঘাড়ে বোঝা চাপিয়ে দিয়েছে বিয়ের বোঝা জানতে চান কিভাবে-
আসুন জেনে নেই _
আমাদের সমাজ আমাদের বিয়ের উপর অনেক বড় চাপ সৃষ্টি করেছেন যখন বিয়ের সময় হবে তখন বিয়ে করতে বাধা দিবে এবং প্রেম বা অবৈধ সম্পর্ক করতে উস্কানি দিবে। ছেলে মেয়ে জ্বীনার মত জঘন্য অপরাধে লিপ্ত হচ্ছে আমাদের সমাজ বা পরিবার তা দেখেও না দেখার ভান করে বসে থাকে। যখন একটা ছেলে বা মেয়ের বিয়ের বয়স হয় তখন তাকে স্কুল কলেজ এর পিছনে লাগিয়ে দেওয়া হয়। যখন একটা ছেলের পড়ালেখা শেষ হয় তখন তাকে টাকার পিছনে লাগিয়ে দেওয়া হয়। আমাদের পরিবার আমাদের সমাজ এটা বুঝতে চায় না আমার ছেলে - মেয়ের বিয়ের বয়স পার হয়ে গেছে। বিয়ের বয়সে স্কুল কলেজ ইউনিভার্সিটি তে পাঠিয়েছে এর পর কর্ম জীবনে একটা ছেলে বা মেয়ের যে যৌবন নামে একটা বিষয় আছে সে দিকে আমাদের পরিবার সমাজ নজর দেয় না তাই ছেলে মেয়ে রা অবৈধ পথে পা বাড়ায় এক প্রকার বাধ্য হয়ে। এত গেলো সমাজ ও পরিবার এবার আসেন অভিভাবক এর কাছে ছেলে মেয়ের বিয়ের জন্য পাত্র পাত্রী দেখার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে দেখা ও হচ্ছে ছেলে মেয়ে কে পছন্দ করছে মেয়ে ছেলেকে পছন্দ করছে কিন্তু বিয়ে হোল না...
কেন
কারণ মেয়ের পক্ষ..
ছেলে সরকারি চাকরি করে না।
ছেলের একটা যুবতী বোন আছে, ছেলের একটা ডিভোর্স প্রাপ্ত একটা বোন আছে ওই বাড়িতে মেয়ে দেওয়া যাবে না। আরো আছে কাবিন করতে হবে 10 লাক নয়তো বিয়ে হবে না। ইত্যাদি ইত্যাদি
এবার আসেন ছেলের পক্ষ..
যৌতুক দিতে হবে 5 লাক টাকা,
আসবাপত্র দিতে হবে 2 লাক টাকার
200 মানুষের ভোজন মেলা বসাতে হবে ইত্যাদি ইত্যাদি।
জ্বীনা
এখন এমন অবস্থায় একটা ছেলে একটা মেয়ে এত কিছু ম্যানেজ করে কবে বিয়ে করবে আর কবে নিজের চাহিদা মেটাতে সক্ষম হবে। সব কিছু চিন্তা করে দেখা যায় যৌবন এর চাহিদা ইচ্ছে করলে হাত বাড়াতেই মিটে যাচ্ছে, তাই বিয়ে না করে যুবক - যুবতী রা জ্বীনা কেই সহজ হিসেবে বেছে নিয়েছেন।
আসুন আমরা আমাদের সমাজ থেকে এই পশ্চিমাদের কালচার বর্জন করে আল্লাহ্র আইন চালু করি।
যৌতুক বন্ধ করি নারী নির্যাতন বন্ধ করি।
কাবিনের নামে পুরুষ নির্যাতন বন্ধ করি।
হাতে হাত মিলিয়ে, কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে আল্লাহ্র পথে এগিয়ে চলি.
আবনায়ে শরীয়তপুরের মাধ্যমে আমরা আমাদের ভাই বোনদের জ্বীনা থেকে দূরে রেখে বিয়ের ব্যবস্থা করার আপ্রাণ চেষ্টা করব ইনশাল্লাহ।
উপরোক্ত বিষয় বিবেচনা করে বিয়ের ব্যবস্থা করা হবে ইনশাল্লাহ।
প্রচারে ॥
। আবনায়ে শরীয়তপুর
একটি বহুমুখী ইসলামী ফাউন্ডেশন
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন